Wednesday, September 20, 2017

চোখের পানি নিয়ে উইলিয়াম ফ্রে নামে একজন বিজ্ঞানী প্রায় ১৫ বছর গবেষণা করেছেন। গবেষণা শেষে তিনি বলেছেনঃ




চোখের পানি নিয়ে উইলিয়াম ফ্রে নামে একজন বিজ্ঞানী প্রায় ১৫ বছর গবেষণা করেছেন। গবেষণা শেষে তিনি বলেছেনঃ

"চোখের পানি কোনো সাধারণ কিছু নয়। এটি পানি, শ্লেষ্মা, তেল, ইলেক্ট্রোলাইট-এর এক জটিল মিশ্রণ।

এটি ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী, যা চোখকে ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে।
এটি কর্নিয়াকে মসৃণ করে, যা পরিষ্কার দৃষ্টির জন্য অত্যাবশ্যকীয়।
এটি কর্নিয়াকে যথেষ্ট আর্দ্র রাখে এবং অক্সিজেন সরবরাহ দেয়।
এটি চোখের জন্য ওয়াইপার হিসেবে কাজ করে, যা চোখকে ধুয়ে ধুলোবালি থেকে পরিষ্কার করে।"

চোখের পানি যদি শুধুই পানি হতো, তাহলে তা ঘর্ষণের কারণে চোখ শুকিয়ে জ্বালা পোড়া করত। শীতকালে তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি হলে পানি শুকিয়ে জমে বরফ হয়ে যেত!

আবার চোখের পানি যদি শুধুই এক ধরনের তেল হতো, তাহলে তা চোখের ধুলাবালি পরিষ্কার না করে উলটো আরও ঘোলা করে দিত।
চোখের পানির মধ্যে প্রকৃতির লক্ষ উপাদান থেকে এমন বিশেষ কিছু উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে, যার এক বিশেষ মিশ্রণ একই সাথে পরিষ্কার, মসৃণ এবং জীবাণু মুক্ত করতে পারে এবং অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে।

চোখের পানির এই ব্যাপারটা চিন্তা করলেই আল্লাহ্'র প্রতি কৃতজ্ঞতায় মস্তক অবনত হয়ে যায়। সুবহান'আল্লাহ্! এক চোখের পানিতেই আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা কত-শত অনুগ্রহ দেখিয়েছেন, কত সুক্ষ্ম, কত পরিকল্পনা করে সৃষ্টি করেছেন! ভাবনার মোড়কে আটকানো অসম্ভব!

"অতএব, তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?"

সূরা আর-রহমান আয়াতঃ ১৩,১৬,১৮....
(সহ মোট ৩১ বার একই সূরাতে এই আয়াতটি এসেছে)
আল্লাহ আমাদের কত নিয়ামতের মাঝে ডুবিয়ে রেখেছেন।
.
আলহামদুলিল্লাহ।
.
(সংগৃহীত)



Sunday, June 25, 2017

এটি হাদীস নয়: জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রয়োজনে চীন দেশে যাও



আরবীতে বলা হয়- (আরবী) বাক্যটি ব্যাপকভাবে হাদীস হিসাবে বলা হয়ে থাকে। প্রকৃত পক্ষে এটি পরবর্তী কারো বাণী। তবে সন্দেহ নেই যে, বক্তব্যটি সঠিক ও বাস্তবসম্মত। ইলমে দ্বীন হাসিলের জন্য যত দূরের সফরই হোক, তাওফীক হলে করা উচিত। ইলম অন্বেষণে কখনো মেহনত-মুজাহাদকে ভয় পাওয়া উচিত নয়। তদ্রূপ পার্থিব জীবনে প্রয়োজনীয় শিল্প ও বিদ্যা শিক্ষার জন্যও দূর দূরান্তে সফর করা জায়েয; বরং তা একটি পর্যায় পর্যন্ত কাম্যও বটে। এই সকল কিছু স্বস্থানে বিদ্যমান আছে এবং শরীয়তের বিভিন্ন দলীল দ্বারা তা প্রমাণিত। কিন্তু আমাদের আলোচ্য বাক্যটি হাদীস নয়। যদিও তা হাদীস হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, কিন্তু সনদে আবু ‘আতিবা তরীফ ইবনে সুলায়মান নামক একজন রাবী আছে যে হাদীস শাস্ত্রের ইমামগণের দৃষ্টিতে মতারূক (পরিত্যক্ত)। তাকে হাদীস জাল করার অভিযোগেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। রিজাল ও রেওয়ায়েত-শাস্ত্রের বিখ্যাত ইমাম আবু জা’ফর উকাইলী লেখেন- (আরবী) -আয-যুআফাউল কাবীর, উকাইলী ২/২৩০; কিতাবুল মাজরূহীন, ইবনে হিব্বান ১/৩৮২; মিযানুল ইতিদাল ২/২৫৮; আলমুনতাখাব মিনাল ইলাল লিল-খাল্লাল ইবনে কুদামাহ পৃ. ১২৯-১৩০; আলমাকাসিদুল হাসানাহ, সাখাভী পৃ. ১২১

Sunday, May 7, 2017

মুসলামান রাজারা কি অমুসলিমদের উপর অত্যাচারী ছিল?


মুসলামান রাজারা কি অমুসলিমদের উপর অত্যাচারী ছিল
    দাঁতভাঙ্গা জবাব নাস্তিকদের প্রিয় ওয়েবসাইট মুক্তমনা এবং এই ওয়েবসাইট টি এতটাই ফেক যে সারা পৃথিবীর বড় বড় ঐতিহাসিকদের ইতিহাস কে পাশ কাটিয়ে চরম মুসলিম বিদ্বেষী কিছু ৩য় শ্রেণীর ঐতিহাসিকদের রেফারেন্স দিয়ে সর্বদা প্রমান করতে ব্যাস্ত যে মুসলিম সুলতানরা নাকি তাদের লাখ লাখ অমুসলিম প্রজাকে হত্যা করেছে। আচ্ছা আসলেই কি মুসলিম সুলতানরা তাদের লাখ লাখ অমুসলিম প্রজাকে ধর্মের নামে হত্যা করেছে কি না তা আমরা একটু ইতিহাস থেকেই ঘুরে দেখি।?


                                                                              

                                       ইতিহাস কি বলে?? স্পেনের ইতিহাস:
৭১২ খ্রিষ্টাব্দে তারিক বিন যিয়াদ যখন স্পেন জয় করেন এরপর থেকে মুসলমানরা একটানা ৭০০ বছর স্পেন শাসন করেন।
১৪৯২ সাল, ২রা জানুয়ারী রাজা ফার্ডিনান্ড ও রানী ইসাবেলার নেতৃত্বে গ্রানাডার পতনের মাধ্যমে স্পেনে মুসলিম শাসনের অবসান ঘটে। এর পরের ইতিহাসটা খুব করুন। লাখ লাখ স্পেনের মুসলমানদের কে হত্যা করা হয়। আর যে সকল মুসলমান বেঁচে ছিল তাদের করা হয় সীমাহীন নির্যাতন ৷ আর অল্প কিছু ভাগ্যবান স্পেনীয় মুসলমান জাহাজে করে মরক্কোতে পালিয়ে যেতে সমর্থ হয়। যেই স্পেন মুসলমানরা একটানা ৭০০ বছর শাসন করেছিল, স্পেনের জনসংখ্যার শতকরা ৯০ ভাগই ছিল মুসলমান, সেই স্পেনে আজ একজনও স্পেনীয় মুসলমান পাওয়া যায় না। এখন স্পেনে ৬৯% খ্রিষ্টান রয়েছে কিন্তু ১% স্পেনীয় মুসলমান নেই! কর্ডোভা গ্রানাডার মসজিদ গুলিতে সেই ১৪০২সালের পর থেকে আর কোনদিন আযানের ধ্বনি শুনা যায় নি। কিন্তু হাজার বছরের অনেক প্রাচীন গীর্জা কিন্তু এখনো স্পেনে আছে।
https://en.m.wikipedia.org/wiki/Religion_in_Spain

          এবার দেখব ভিন্ন চিত্র: ভারতবর্ষের ইতিহাস :
আমরা যদি ভারতবর্ষের দিকে যাই তাহলে দেখি ১১৭৫ সালে যখন মুহাম্মদ ঘুরী প্রথম ভারত জয় করেন তখন থেকে মুসলমানরা একটানাপ্রায় ৭০০ বছর ভারত শাসন করেছে।

Wednesday, March 29, 2017

দেখে নিন কোন ফল বা শাকসবজি বাড়াতে পারে আপনার ওজন!


স্বাস্থ্য
দেখে নিন কোন ফল বা শাকসবজি বাড়াতে পারে আপনার ওজন!


ওজন কমানোর চিন্তা মাথায় থাকলে, ফল বা শাকসবজি খাওয়ার আগেও এ বার ভাবতে হবে। কারণ সাম্প্রতিক সমীক্ষা জানাচ্ছে, ফল বা শাকসবজিকে ওজন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে যতটা অনুকূল বলে মনে করা হয়, তা আদপে নয়।

Monday, October 10, 2016

মুহররম ও আশুরার ফজিলত

লেখক : মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ | অনুবাদক : ইকবাল হোছাইন মাছুম
প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ
বাংলাদেশে ৬ ডিসেম্বর ২০১১ হবে আশুরার দিন।

الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على نبينا محمد خاتم الأنبياء وسيد المرسلين وعلى آله وصحبه أجمعين وبعد

মুহররম, একটি মহান বরকতময় মাস। হিজরি সনের প্রথম মাস । এটি ‘আশহুরে হুরুম’ তথা হারামকৃত মাস চতুষ্টয়ের অন্যতম। আশহুরে হুরুম সম্বদ্ধে আল্লাহ তাআলা বলেন,

إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِنْدَ اللَّهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِي كِتَابِ اللَّهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ فَلَا تَظْلِمُوا فِيهِنَّ أَنْفُسَكُمْ ﴿36﴾[التوبة:36].

নিশ্চয় মাসসমূহের গণনা আল্লাহর কাছে বার মাস আল্লাহর কিতাবে, (সেদিন থেকে) যেদিন তিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন। এর মধ্য থেকে চারটি সম্মানিত, এটাই প্রতিষ্ঠিত দীন। সুতরাং তোমরা এ মাসসমূহে নিজদের উপর কোন জুলুম করো না।{সূরা তাওবা:৩৬}
সাহাবি আবু বাকরাহ রা. নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, নবীজী বলেন,

{السَّنَةُ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ: ثَلاثَةٌ مُتَوَالِيَاتٌ ذُو الْقَعْدَةِ وَذُو الْحِجَّةِ وَالْمُحَرَّمُ، وَرَجَبُ مُضَرَ الَّذِي بَيْنَ جُمَادَى وَشَعْبَانَ } [رواه البخاري 2958]

বছর হলো বারোটি মাসের সমষ্টি, তার মধ্যে চারটি অতি সম্মানিত। তিনটি পর পর লাগোয়া জিলকদ, জিলহজ ও মুহররম আর (চতুর্থটি হলো) জুমাদাস সানি ও শাবানের মধ্যবর্তী রজব। {বোখারি:২৯৫৮}
মুহররমকে মুহররম বলে অভিহিত করা হয়েছে কারণ এটি অতি সম্মানিত।
আল্লাহর বাণী

فَلا تَظْلِمُوا فِيهِنَّ أَنْفُسَكُمْ

“তোমরা এতে নিজেদের উপর কোনো জুলুম করো না।”
অর্থাৎ, এই সম্মানিত মাস সমূহে তোমরা কোনো অন্যায় করো না। কারণ এ সময়ে সংঘটিত অন্যায় ও অপরাধের পাপ অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি ও মারাত্মক।